হাতীবান্ধায় শেয়াল জবাই করে মাংস ভাগাভাগি

প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০১৯   

লালমনিরহাট প্রতিনিধি

ছবিটি ফেসবুক থেকে নেওয়া

ছবিটি ফেসবুক থেকে নেওয়া

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার গেন্দুকুড়ি এলাকায় শেয়াল জবাই করে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে মাংস কেটে তা ভাগাভাগি করে নেওয়ার অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। 

বুধবার রাতে ভারপ্রাপ্ত জেলা বন কর্মকর্তা নূরনবী  ঘটনার সঙ্গে জড়িত  ৫ জনের নাম উল্লেখ করে হাতীবান্ধা থানায় মামলাটি  দায়ের করেন। 

এর আগে গত শনিবার শেয়ালটি জবাই করে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে চামড়া ছাড়ানোরা ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হলে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। 

স্থানীয়রা জানায়, গত শনিবার গেন্দুকুড়ি এলাকার আজহার আলীর বাড়ি থেকে একটি পোষা ছাগল ধরে নিয়ে যাচ্ছিল শেয়াল।  এসময় ওই শেয়ালটিকে ধরে জবাই করে মাংস ভাগ করে নেন উপজেলার গেন্দুকুড়ি এলাকার আব্দুস ছামাদ ভুঁইয়ার ছেলে খোরশেদ আলম, একই এলাকার সুরুজ জামালের ছেলে আলমগীর হোসেন ও  আজহার আলীর ছেলে আবুল কালামসহ কয়েকজন যুবক। এ সময় একই গ্রামের আব্দুল গফুরের ছেলে নায়েব আলী মোবাইল ফোনের সাহায্যে তা ভিডিও করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন। শেয়ালের মাংস খেলে অনেক জটিল রোগ ভাল হয় এমন ধারনা থেকেই তারা শিয়ালের মাংস ভাগ করে নিয়েছেন বলে জানা যায়। 

এ বিষয়ে জেলা বন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) নূরনবী বাদল বলেন, এ ধরনের সংবাদ নজরে এলে বুধবার দুপুরে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়েছে। ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওমর ফারুক বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সামিউল আমিন বলেন, এ সংক্রান্ত একটি বিষয় ফেসবুকের মাধ্যমে আমার নজরে এসেছে। খোঁজ নিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। তাই  উপজেলা বিট কর্মকর্তাকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।