এনআইডি জালিয়াতি: ইসির তিন কর্মচারী কারাগারে

প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০১৯   

চট্টগ্রাম ব্যুরো

রোহিঙ্গাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) জালিয়াতির মামলায় চট্টগ্রামে নির্বাচন কমিশন (ইসি) অফিসের তিন ডাটা এন্ট্রি অপারেটরকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট খায়রুল আমিনের আদালত এ আদেশ দেন। 

তিন আসামি হলেন- কোতোয়ালি থানার ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মো. শাহীন, বন্দর থানার ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মো. জাহিদ এবং ডবলমুরিং থানার ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পাভেল বড়ূয়া।

মহানগর পুলিশের সিনিয়র সহকারী কমিশনার কাজী শাহাবুদ্দিন আহমেদ বলেন, কাউন্টার টেররিজম ইউনিট দু'দিন করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তিন আসামিকে আদালতে পাঠায়। শুনানি শেষে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

২২ সেপ্টেম্বর রাতে কাউন্টার টেররিজম ইউনিট এক নারীসহ চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসে। ঘটনার সঙ্গে তিনজনের জড়িত থাকায় তাদের গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন- শাহীন, জাহিদ ও পাভেল বড়ূয়া। তারা আউটসোর্সিংয়ের ভিত্তিতে নিয়োগ পেয়ে অস্থায়ীভাবে কর্মরত আছেন।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে নগরীর ডবলমুরিং থানা নির্বাচন কার্যালয়ের অফিস সহায়ক জয়নাল আবেদিনসহ তিনজনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন জেলা নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তারা। বাকি দু'জন হলেন জয়নালের বন্ধু বিজয় দাশ ও তার বোন সীমা দাশ ওরফে সুমাইয়া। জয়নালের হেফাজতে থাকা নির্বাচন কমিশনের একটি ল্যাপটপও উদ্ধার করা হয়, যেটি বিজয় ও সীমার কাছে ছিল। রাতেই ডবলমুরিং থানা নির্বাচন কর্মকর্তা পল্লবী চাকমা বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন।