সুমনের পেস আগুনে পুড়ল শান্তর দল

প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২০     আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২০   

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বাংলাদেশের তরুণ পেসার সুমন খান বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের ফাইনালে নেন ৫ উইকেট। ছবি: বিসিবি

বাংলাদেশের তরুণ পেসার সুমন খান বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের ফাইনালে নেন ৫ উইকেট। ছবি: বিসিবি

বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের ফাইনালে রোববার দুর্দান্ত বোলিং করেছেন বাংলাদেশের তরুণ পেসার সুমন খান। মিরপুরে শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দুপুরে মাহমুদুল্লাহর দলের বিপক্ষে হওয়া ফাইনালে তার আগুনে ১৭৩ রানেই থেমেছে নাজমুল শান্তর একাদশ। মুশফিক-শান্তরা ব্যাট করতে পেরেছেন ৪৭.১ ওভার।

শুরুতে ব্যাট করতে নামা নাজমুল একাদশের ইনিংসে ধাক্কা দেন দুর্দান্ত ফর্ম দেখানো রুবেল হোসেন। তরুণ ওপেনার সাইফ হাসানকে মাত্র ৪ রানে বোল্ড করে দেন তিনি। এরপর শুরু হয় সুমন খানের তোপ। একে একে মানিকগঞ্জের পেসার তুলে নেন টপ অর্ডার এবং মিডল অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানকে।

প্রথমে সুমন লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিমকে। সৌম্য সরকার রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে (চোখে পোকা ঢোকায়) ফিরে যাওয়ায় ক্রিজে এসেছিলেন তিনি। ভালো ফর্মে থাকা বাংলাদেশ দলের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ফাইনালে করতে পারেন ১২ রান। এরপর ব্যাটিংয়ে ফিরে এসে সৌম্য ৫ রান করে উইকেটরক্ষক নুরুল হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন।

পরেই শূন্য করে আউট হন মিডল অর্ডারে নাজমুলের দলের অন্যতম ভরসা আফিফ হোসেন ধ্রুব। তিনিও কাটা পড়েন সুমন খানের পেস বোলিংয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে। দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া দলকে টানার দায়িত্ব নিতে হতো অধিনায়ক নাজমুল শান্তকে। কিন্তু তিনে নামা এই ব্যাটসম্যান সেট হয়ে ৫৭ বলে ৩২ রান করে সাজ ঘরে ফেরেন। এবার দৃশ্যপটে মেহেদি হাসান মিরাজ।

শান্তর দল তখন ৬৪ রানে হারিয়েছে ৫ উইকেট। তখন তৌহিদ হৃদয় এবং ইরফান শুক্কুরের ছোট্ট জুটি দলকে ভরসা দেয়। হৃদয় ফিরে যান ২৬ রান করে। তবে শুক্কুরের সঙ্গে গড়েন ৭০ রানের জুটি। পরে অসাধারণ ব্যাটিং করা শুক্কুর ৭৭ বলে ৭৫ রান করে রুবেল হোসেনের বলে বোল্ড হয়ে ফিরে যান। পুরো টুর্নামেন্টে ভালো খেলা শুক্কুর এ ম্যাচে দুটি ছক্কার সঙ্গে আটটি চারের মার দেখান।

সুমন পরে নাঈম হাসান ও নাসুম আহমেদকে তুলে নিয়ে নিজের পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন। ১০ ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র ৩৮ রান দেন ২০ বছর বয়সী এই পেসার। পেসার রুবেল হোসেন ৮ ওভার বল করেন। ২৭ রানে নেন ২ উইকেট। অন্য পেসার এবাদত হোসেনও ঝরান পেস বোলিংয়ের আগুন। ৮.১ ওভারে তিনি মাত্র ১৮ রানে নেন ১ উইকেট।